দ্য আর্ট অব আর্নিং: থ্রি স্মার্ট পাথ !
দ্য আর্ট অব আর্নিং: থ্রি স্মার্ট পাথ !
– মুহাম্মদ নাহিদুল ইসলাম
ইনকামের সোর্স তৈরি করতে চাইলে মূলত তিনটি ফিল্ডের দিকে নজর দিতে হয়: ট্যালেন্ট, এডুকেশন আর স্কিল। এই তিনটির প্রতিটিই আলাদা পথ, আবার একটা আরেকটার সঙ্গে মিলেও কাজ করে।
১. ট্যালেন্ট। এটা আল্লাহর দেওয়া গিফট। অ্যাক্টিং, সিঙ্গিং বা রাইটিং, এমন কিছু যদি আপনার মধ্যে থাকে, তাহলে সেটাকে কাজে লাগানোই স্মার্ট মুভ। তবে ট্যালেন্ট একা যথেষ্ট নয়। পলিশ না করলে সবচেয়ে ভালো গলাও মঞ্চে পৌঁছায় না, আবার সবচেয়ে ভালো কলমও পাঠকের কাছে যায় না। তাই গিফটটাকে চিনুন, তারপর প্র্যাকটিস আর এক্সপোজারের মাধ্যমে তাকে প্রফেশনের রূপ দিন।
২. এডুকেশন। এটা পরিশ্রমের ফল। যত মন দিয়ে পড়বেন, ডাক্তার, উকিল, ইঞ্জিনিয়ার বা সিএ হওয়ার পথে তত এগিয়ে যাবেন। এই পথ লম্বা, কিন্তু স্টেবল। একবার ক্রেডেনশিয়াল তৈরি হয়ে গেলে সমাজ আর মার্কেট দুই জায়গাতেই আপনার একটা অবস্থান তৈরি হয়, আর সেই ভরসাটা সহজে নড়ে না।
৩. স্কিল। এর জন্য বড় ডিগ্রি লাগে না, লাগে শেখার আগ্রহ আর নিয়মিত প্র্যাকটিস। ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন, এগুলো তার ভালো উদাহরণ। সার্টিফিকেট না থাকলেও এখানে ইনকাম সম্ভব, কারণ ক্লায়েন্ট দেখে আপনার কাজ, কাগজ নয়। একটা ভালো পোর্টফোলিও অনেক সময় ডিগ্রির চেয়েও জোরে কথা বলে। আজকের দুনিয়ায় অনলাইনে শেখার সুযোগও অনেক, তাই শুরু করার জন্য কারও অনুমতির অপেক্ষা করতে হয় না।
মনে রাখবেন, কোনো ইনকাম সোর্সকেই ছোট করে দেখতে নেই। কাজের মর্যাদা কাজেই, তার ধরনে নয়। আবার একটা বিষয়ও খেয়াল রাখা জরুরি: যেখানে অপরচুনিটি বেশি, যেখানে টাকার ফ্লো ভালো, সেই ফিল্ডে এন্ট্রি নিতে দ্বিধা করবেন না। নিজের ট্যালেন্ট, পড়াশোনা আর স্কিল, এই তিনটিকে মিলিয়ে সঠিক জায়গাটা বেছে নিতে পারাটাই আসল বুদ্ধিমত্তা।
টাকা কামানো একটা আর্ট, আর এই আর্টে আপনাকে হতে হবে সত্যিকারের আর্টিস্ট।
___________
মেন্টর, পাশ করি
হোস্ট, পাশ করি পডকাস্ট শো..
শিক্ষার্থী, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
