অন্তরের গতিময়তা
কেই বা থাকতে চায় ভাঙা আস্তাকুঁড়ে,
যে অপেক্ষা, দাপুটে বাতাস ডাকে।
এক যুগের বেশি সেটাকে আগলেছি আমি।
শুকনো খালের বুকে জন্মানো আগাছাকে –
কয়জন ভালোবাসে, যে বাঁচে পরের বর্ষা অব্দি।
গলির মোড়ে দেখা এক পলকের পথিককে কেউ খোঁজে?
যাকে জানার ব্যাপক কৌতূহল হলো মাত্র।
রেলে দেখা সৌম্য যুবক,
যার সমস্ত গাম্ভীর্য ভাটা পড়েছে—
ডান চোখের তলে থাকা একটা ছোট্ট তিলকে।
সে কি জানে, শান্ত নদীর মতো ঘুমন্ত চেহারা তার?
রবের জেলখানায় তার সৃষ্টিরে আবার কে বাঁধে?
যে হাঁটে বাগদাদের রাস্তায়, কখনো কাশ্মীরের এক গ্রামে, কখনো আসাম-মেঘালয় রেখে ছোটে বরাইল পর্বতে।
সে শুকনো গাঙ ভেঙে, বাতাস মাড়িয়ে ছুটতে থাকে—
তার নিজেকে ভুলে,,
প্রলুব্ধ প্রেমের প্রতিশ্রুতি রেখে
সেই শুকনো খালের বুকে রঙিন আগাছার কাছে। কারণ—
জীবনের কাছে জগৎকে গচ্ছিত রাখার বিশাল দায়িত্ব তার।
~ আন্তরের গতিময়তা
ছবিতে, ফাতিমা
10.45 pm
BARI
