মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন

“দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রাফিক লাইট স্থাপন করা হোক”

Author

রনি মুহুরী , সরকারি সিটি কলেজ,চট্টগ্রাম

প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ পাঠ: ৮২ বার

দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ট্রাফিক লাইট নীরব কিন্তু কার্যকর রক্ষাকবচ।আধুনিক নগরজীবনে সড়ক দুর্ঘটনা একটি নিত্যদিনের উদ্বেগের বিষয়। ব্যস্ত সড়ক, দ্রুতগতির যানবাহন এবং অসচেতন চালক—সব মিলিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাফিক লাইট সড়ক নিরাপত্তার এক অপরিহার্য অংশ হিসেবে কাজ করে। এটি কোনো পুলিশি বাঁশি বা উচ্চ শব্দ ছাড়াই লাল, হলুদ ও সবুজ আলোর মাধ্যমে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে শৃঙ্খলা বজায় রাখে।ট্রাফিক লাইটের সবচেয়ে বড় ভূমিকা হলো সড়কের মোড় ও ক্রসিং এলাকায় সংঘর্ষ প্রতিরোধ করা। বিভিন্ন দিক থেকে আসা গাড়িগুলো নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী চলাচলের সুযোগ পায়, ফলে মুখোমুখি ধাক্কার আশঙ্কা অনেক কমে যায়। লাল সংকেত চালককে থামতে বাধ্য করে, হলুদ সংকেত সতর্ক করে দেয় এবং সবুজ সংকেত নিরাপদে চলার নির্দেশ দেয়। এই সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা হঠাৎ গতি বাড়ানো বা বেপরোয়া চালনার প্রবণতা কমায়।
পথচারীদের ক্ষেত্রেও ট্রাফিক লাইট আশীর্বাদস্বরূপ। নির্দিষ্ট সংকেত পেয়ে তারা নিশ্চিন্তে রাস্তা পার হতে পারে, বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও শারীরিকভাবে দুর্বল মানুষদের জন্য এটি অতীব জরুরি। পাশাপাশি ট্রাফিক লাইট চালকদের মধ্যে আইন মানার মানসিকতা তৈরি করে এবং সড়কে দায়িত্বশীল আচরণ গড়ে তোলে।
সঠিক স্থানে ট্রাফিক লাইট স্থাপন, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং সর্বোপরি সবার সচেতন ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। তাই ট্রাফিক লাইট শুধু একটি আলোকসংকেত নয়, বরং নিরাপদ সড়ক ও মানবজীবন রক্ষার নীরব প্রহরী।
নামঃ- রনি মুহুরী
শিক্ষার্থীঃ- সরকারি সিটি কলেজ,চট্টগ্রাম
লেখক: সদস্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
এই লেখাটি ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দৈনিক আজাদী পত্রিকায় প্রকাশিত।
লিংক কপি হয়েছে!